তৃতীয় শ্রেণি · বাংলা

05:00

  • 1. রাজাকে কে কী রকম ভালোবাসে- সে প্রশ্নের উত্তরে প্রথম কন্যা কী বলল?

  • 2. রাজার ছোট মেয়েকে বনের মধ্যে কারা বাড়ি বানিয়ে দিল?

  • 3. “আমাকে চিনতে পেরেছেন?” রাজাকে এ প্রশ্ন কে করল?

     

  • 4. রাজা খুব খুশি হলেন কেন?

  • 5. অনেক অনেক দিন আগের কথা এক ছিল রাজা। রাজার ছিল এক রানি। আর ছিল তিন কন্যা। শিমুল, বকুল ও পারুল। তিনি কন্যাকে নিয়ে রাজা-রানির দিন বেশ সুখেই কাটছিল। রাজ্যেও ছিল সুখ আর শান্তি। রাজা একদিন গল্প করছিলেন। সঙ্গে ছিল রানি আর তিন কন্যা। রাজা তাঁর কন্যাদের জিজ্ঞেস করলেন, এক সহজ প্রশ্ন। কে তাঁকে কী রকম ভালোবাসে? বড় কন্যা শিমুল। সেই জবাব দিল প্রথমে। বলল, বাবা আমি তোমাকে চিনির মতো ভালোবাসি। রাজা একটু মুচকি হাসলেন। মেঝো কন্যা বকুল বলল, বাবা আমি তোমাকে মিষ্টির মতো ভালোবাসি। রাজার মুখে আবার দেখা গেল হাসির রেখা। ছোট কন্যা পারুল। বলল, বাবা আমি তোমাকে নুনের মতো ভালোবাসি। সঙ্গে সঙ্গে রাজার মুখ হয়ে গেল কালো। রানিও শুনে অবাক। এ কেমন কথা। রাজা বেশ অস্থির। ডাকলেন উজির, নাজির, সেনাপতিকে। হুকুম দিলেন, ছোট কন্যা পারুলকে বনবাসে দাও। তাকে গভীর জঙ্গলে ফেলে দিয়ে এসো। প্রদত্ত অনুচ্ছেদে সবচেয়ে কার বুদ্ধি বেশি?

  • 6. রাজা যেদিন গল্প করছিলেন সেদিন তাঁর সঙ্গে কারা ছিল?

  • 7. ছোট কন্যা পারুল রাজাকে কেন বলেছিল নুনের মতো ভালোবাসে?

  • 8. এক ছিলেন সওদাগর। তাঁর একটি সামান্য ক্রীতদাস তাঁর একমাত্র ছেলেকে জল থেকে বাঁচায়। সওদাগর খুশি হয়ে তাকে মুক্তি তো দিলেনই, তা ছাড়া জাহাজ বোঝাই করে নানা রকম বাণিজ্যের জিনিস তাকে বকশিশ দিয়ে বললেন, “সমুদ্র পার হয়ে বিদেশে যাও- এই সব জিনিস বেঁচে যা টাকা পাবে, সবই তোমার।” মনিবের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সে জাহাজে চড়ে রওনা হলো বাণিজ্য করতে। কিন্তু বাণিজ্য করা আর হলো না। সমুদ্রের মাঝখানে তুফান উঠে জাহাজটিকে ভেঙে-চুরে জিনিসপত্র লোকজন কোথায় যে ভাসিয়ে নিল, তার আর খোঁজ পাওয়া গেল না।অনুচ্ছেদেটিতে সওদাগরের কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?

  • 9. সওদাগরের ছেলের কী বিপদ হয়েছিল?

  • 10. সওদাগর খুশি হয়ে ক্রীতদাসকে কী করলেন?